Wednesday, April 4, 2018
মানসিক চাপ কমায় তুলসি
পেয়ারার মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, পটাশিয়াম, লাইকোপেন। তবে আপনি কি জানেন পেয়ারার পাতায়ও রয়েছে অনেক গুণ? স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট জানিয়েছে পেয়ারার পাতার কিছু অসাধারণ স্বাস্থ্যকর গুণের কথা।
১. পেয়ারা পাতার চা নিয়মিত খেলে রক্তের বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে। এটি ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়াতে কাজ করে।
২. পেয়ারা পাতার চায়ের মধ্যে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানের জন্য এটি ডায়রিয়া ও ডিসেনট্রি কমাতে কাজ করে।
৩. কফ ও ব্রঙ্কাইটিস কমাতেও পেয়ার পাতার চা বেশ কার্যকর।
৪. পেয়ারা পাতার চা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটি চর্বি কমাতে কাজ করে এবং পেট ভরা ভরা ভাব রাখে। এতে ওজন কমে।
৫. ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিয়মিত পেয়ারার পাতার চা পান করা ভালো। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে কাজ করে।
৬. পেয়ারা পাতার অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদানের জন্য এটি পাকস্থলীর সমস্যারোধে ভালো কাজ করে। এটি ফুড পয়জনিং রোধেও উপকারী।
৭. পেয়ারার পাতা পানিতে ফুটান। একে ঠান্ডা হতে দিন। এরপর পানিটি মাথায় ম্যাসাজ করুন। চুল পড়া প্রতিরোধ হবে।
পেয়ারার পাতার অসাধারণ সাত গুণ
পেয়ারার মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, পটাশিয়াম, লাইকোপেন। তবে আপনি কি জানেন পেয়ারার পাতায়ও রয়েছে অনেক গুণ? স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট জানিয়েছে পেয়ারার পাতার কিছু অসাধারণ স্বাস্থ্যকর গুণের কথা।
১. পেয়ারা পাতার চা নিয়মিত খেলে রক্তের বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে। এটি ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়াতে কাজ করে।
২. পেয়ারা পাতার চায়ের মধ্যে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানের জন্য এটি ডায়রিয়া ও ডিসেনট্রি কমাতে কাজ করে।
৩. কফ ও ব্রঙ্কাইটিস কমাতেও পেয়ার পাতার চা বেশ কার্যকর।
৪. পেয়ারা পাতার চা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটি চর্বি কমাতে কাজ করে এবং পেট ভরা ভরা ভাব রাখে। এতে ওজন কমে।
৫. ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিয়মিত পেয়ারার পাতার চা পান করা ভালো। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে কাজ করে।
৬. পেয়ারা পাতার অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদানের জন্য এটি পাকস্থলীর সমস্যারোধে ভালো কাজ করে। এটি ফুড পয়জনিং রোধেও উপকারী।
৭. পেয়ারার পাতা পানিতে ফুটান। একে ঠান্ডা হতে দিন। এরপর পানিটি মাথায় ম্যাসাজ করুন। চুল পড়া প্রতিরোধ হবে।
অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে যেসব প্রাকৃতিক উপাদান
ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ দূর করতে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। অ্যান্টিবায়োটিক সংক্রমণের বৃদ্ধি কমিয়ে দেয় বা বন্ধ করে দেয়। ব্যাকটেরিয়া দিয়ে সংক্রমিত হলে চিকিৎসকরা আমাদের অ্যান্টিবায়োটিক দেন। তবে কিছু প্রাকৃতিক উপাদানও রয়েছে, যেগুলো অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। এই ভেষজ উপাদানগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে এসব প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর কথা।
১. হলুদ
হলুদের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। এগুলো ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধেও কাজ করে।
২. আদা
আদা বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা প্রতিরোধে আদা খুব ভালো ঘরোয়া উপাদান।
৩. নিম
নিমের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। এটি ব্রণ তৈরির ব্যাকটেরিয়াগুলোর সঙ্গে লড়াই করে, মুখগহ্বরের সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করে, ক্ষয় ও মাড়ির রোগ প্রতিরোধ করে।
৪. মধু
মধুও আরেকটি চমৎকার অ্যান্টিবায়োটিক। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান। এটি ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন হওয়াকে ব্যাহত করে।
৫. জলপাইয়ের তেল
জলপাইয়ের তেলও ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদান। এগুলো ত্বকের সংক্রমণ কমায়।
পেটের মেদ কমাতে যেসব খাবার খাবেন, খাবেন না
পেটের মেদ একটি বিব্রতকর বিষয়। নারীদের তুলনায় পুরুষদের পেটের মেদ বেশি হয়। অতিরিক্ত পেটের মেদ শরীরে বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করে। যেমন : হৃদরোগ, স্ট্রোক, টাইপ টু ডায়াবেটিস ইত্যাদি।
বংশগতি, খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপনের ধরন ইত্যাদি পেটের মেদ বাড়াতে বড় ভূমিকা পালন করে। কিছু খাবার পেটের মেদ বাড়ায়, আবার কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো মেদ কমাতে সাহায্য করে।
স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়েবএমডি প্রকাশ করেছে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন।
পেটের মেদ বাড়ায় যেসব খাবার
আসলে উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবারই যে পেটের মেদ বাড়ায়, তা নয়। বেশি ক্যালরিযুক্ত যেকোনো খাবারই পেটের মেদ বাড়াতে পারে। মদপান, মিষ্টিজাতীয় খাবার, বেশি প্রোটিনযুক্ত খাবার পেটের মেদ বাড়িয়ে তোলে।
এক গবেষণায় ওয়েক ফোর্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলেছেন, ট্রান্সফ্যাট পেটের মেদ বাড়িয়ে তোলে। এ ধরনের ফ্যাট পাওয়া যায় প্যাসট্রিস, ক্র্যাকার্স, ভাজা খাবারে।
আবার সফট ড্রিংস, মিষ্টিজাতীয় ব্যাভারেজ ইত্যাদির মধ্যে অ্যাডেড সুগার থাকে। এগুলোও পেটের মেদ বাড়িয়ে তুলতে পারে।
পেটের মেদ কমাতে
তবে জীবনযাপনের ধরনের পরিবর্তন এই যুদ্ধের সঙ্গে লড়াই করতে কিছুটা সাহায্য করে। লাল মাংস, স্যাচুরেটেড চর্বি কমিয়ে ফল ও সবজি খাওয়া এবং প্রোটিন নিয়ন্ত্রণ করা পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করে।
এ ছাড়া গ্রিন টি, ব্লু বেরি, সয় খাওয়া পেটের মেদ ঝড়াতে সাহায্য করে। তবে এর পাশাপাশি অবশ্যই ব্যায়াম করতে হবে।
তাই পেটের মেদ কমাতে বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার কমিয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খান এবং নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
ওজন কমানোর সাত সহজ উপায়
নতুন বছর সামনে রেখে অনেকেই ভাবছেন ওজন কমানোর কথা। তবে নানা ব্যস্ততায় অনেকেই হয়তো ডায়েটিশিয়ানের কাছে যেতে পারেন না। তাই তাঁদের জন্য দেওয়া হলো ওজন কমানোর সহজ কিছু পরামর্শ।
১. অল্প খাবার বারে বারে, প্রতি তিন ঘণ্টা পর পর খাবেন।
২. দুপুর ও রাতের খাবার ছোট থালায় খাবেন।
৩. খাবার হাতে না খেয়ে, কাঁটাচামচ ও টেবিল চামচ দিয়ে খাবেন।
৪. খাবার শেষ করেই পুদিনা পাতা বা মিন্ট (mint)- এর কোনো পেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করে ফেলুন।
৫. সকালে খালি পেটে তোকমা ও মধু (এক চামচ তোকমা ও আধা চামচ মধু, এক গ্লাস পানি) খেয়ে নিন।
৬. রান্নাঘর থেকে পরিমিত পরিমাণ খাবার একবারে থালায় বেড়ে, খাবারের টেবিলে বসে খাবেন। খাবারের টেবিলে খাবার সাজিয়ে খেতে বসবেন না।
৭. চিনি ও মিষ্টি খাবার কোনোভাবেই খাবেন না। মিষ্টি খেতে মন চাইলে এলাচ বা লং মুখে নিয়ে চিবাতে থাকুন।
লেখক : প্রধান পুষ্টিবিদ অ্যাপোলো হাসপাতাল এবং সহসভাপতি, অ্যাসোসিয়েশন অব নিউট্রিশনিস্টস অ্যান্ড ডায়েটিশিয়ানস।
সাদা নাকি লাল আটা?
সুস্থ থাকার প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো সঠিকভাবে জীবনযাপন করা। তবে বাস্তবে সঠিক জীবনযাপন মেনে চলতে অনেক ঝামেলার মুখে পড়তে হয়। তারপরও সুস্থ থাকতে গেলে কিছু নিয়ম তো অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
দৈনিক খাদ্যাভ্যাস বা জীবনযাপন প্রণালিতে ছোট ছোট কিছু পরিবর্তনও মানুষকে সুস্থ থাকতে অনেক সাহায্য করে। যেসব ছোট পরিবর্তন স্বাস্থ্যকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে, তার দুটি পরামর্শ দেওয়া হলো।
পরামর্শ-১
সাদা আটা বা ময়দা নয়, অভ্যাস করুন লাল আটা
সাদা আটা বা ময়দায় খাদ্য আঁশের পরিমাণ কম থাকে। তবে ভূসিসমেত লাল আটায় অনেক আঁশ থাকে। তাই লাল আটার রুটি খাওয়ার পর রক্তের গ্লুকোজ ধীরে ধীরে বাড়ে। তাই হৃদরোগ প্রতিরোধে, ওজন কমাতে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে লাল আটার জুড়ি নেই। সকালের নাশতায় যাঁরা রুটি পছন্দ করেন, তাঁরা সাদা আটা বা ময়দার পরিবর্তে ভূসিসমেত লাল আটার অভ্যাস করুন।
পরামর্শ-২
দৈনিক পানি মেপে পান করুন
স্বাস্থ্য ভালো রাখতে আমরা দৈনিক পর্যাপ্ত পানি মেপে পান করার পরামর্শ দিই। অনেকেই এ পরামর্শ অনুযায়ী পানি পান করেন। তবে বেশির ভাগ মানুষই মেপে এই পানি পান করেন না। অনেকে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পানি পান করেন, আবার অনেকে চাহিদার তুলনায় কম পানি পান করেন। তাই সবার প্রয়োজন পানির জন্য একটি সুনির্দিষ্ট বোতল ব্যবহার করা; ঘরে-বাইরে সেই বোতল সঙ্গে রাখা। এতে কতটুকু পানি পান করছেন, সেটি বোঝা যাবে। তাই এখন থেকেই এই একটি অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে আপনি সুস্থ থাকতে পারবেন।
লেখক : প্রধান পুষ্টিবিদ, অ্যাপোলো হাসপাতাল।
Subscribe to:
Posts (Atom)